পেশকার এর কাজ কি | আদালতে পেশকারের ভূমিকা ও দায়িত্ব
আদালতের বিচার ব্যবস্থায় একটি চেনা দৃশ্য এটি বিচারক চেয়ারে বসার আগেই কালো গাউন পরা একজন ব্যক্তি দ্রুত পায়ে ফাইলপত্র গুছিয়ে রাখছেন, বিচারক কিছু জানতে চাইতেই পটাপট মামলার নথি বের করে দেখিয়ে দিচ্ছেন। অনেকেই ভাবেন ইনি হয়তো আইনজীবী বা সাধারণ কেরানি, কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। আসলে ইনি হলেন পেশকার। সত্যি বলতে, পেশকার এর কাজ কি এই নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা খুবই কম, অথচ আদালতের প্রতিটি কার্যদিবসে উনার ভূমিকা অপরিহার্য। পেশকারকে ঠিক এক কথায় ব্যাখ্যা করা দুষ্কর, তবে সহজ করে বললে বলা যায়, পেশকার হলেন একজন প্রধান প্রশাসনিক সহকারী যিনি বিচার বিভাগীয় কাজ ও আদালতের দৈনন্দিন রুটিন ধরে রাখেন। ২০২৬ সালের বাস্তবতায়ও এই পেশা তার পুরনো মর্যাদা ও প্রাসঙ্গিকতা ধরে রেখেছে, বরং আদালতের ডিজিটাইজেশন যত বাড়ছে, একজন দক্ষ পেশকারের কদর ততই বেড়ে চলেছে।
পেশকার: শুধু কেরানি নন, সিস্টেমের অন্যতম স্তম্ভ
পেশকার একটি পারিভাষিক ফারসি শব্দ, যার অর্থ হল ‘সামনে উপস্থাপনকারী’। এই ব্যাখ্যাটা থেকেই বোঝা যায় কেন এই পদটি এত মূল্যবান। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হল, অনেকেই পেশকারকে একজন সাধারণ অফিস সহায়ক বা নাজির ভেবে ভুল করেন। জেলা জজ আদালত থেকে শুরু করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত – সবখানেই এরা স্বতন্ত্র দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালে এসে পেশকার নিয়োগ, বেতন কাঠামো ও কাজের পরিধি নিয়ে বিচার বিভাগীয় প্রশাসনে বেশ কিছু সংস্কার এসেছে, তাই এ পেশায় আসতে চাইলে আধুনিক দক্ষতা জানা এখন অত্যন্ত জরুরি।
আদালতের দৈনন্দিন কাজে পেশকারের ভূমিকা
একজন পেশকারের সকাল শুরু হয় আদালত বসার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে। মূল ফাইলের সাথে মামলার সাম্প্রতিক দলিল, জামিনের আবেদন, সময়ের আবেদনপত্র – সবকিছু ঠিকঠাক মতো বিচারকের টেবিলে সাজিয়ে দেওয়াই প্রথম দায়িত্ব। বিচারক এজলাসে বসার পর প্রথমেই যেটা দেখেন তা হল কজ-লিস্ট। পেশকার বলতে পারেন, “স্যার, আজ ৬৫ নম্বর মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য প্রস্তুত, কিন্তু ৭২ নম্বর মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী সময় চেয়েছেন।” এই প্রাথমিক ধারণাটুকু দেওয়ার জন্যই পেশকারকে আগের দিন রাতে সমস্ত ফাইল ভালো করে বুঝে রাখতে হয়।
শুনানি চলাকালে পেশকারকে বারবার ফাইল থেকে দরকারি কাগজপত্র বের করে দেখাতে হয়। যদি বিচারক কোনো পুরোনো সাক্ষীর জবানবন্দি দেখতে চান, সেটা খুঁজে বের করতে কত সেকেন্ড লাগল, সেটার ওপরেই কিন্তু পেশকারের দক্ষতার প্রমাণ মেলে। একই সাথে প্রতিটি আদেশের সারসংক্ষেপ অর্ডার শিটে লিখে রাখা এবং নির্ভুলভাবে টাইপ করিয়ে নেওয়াটাও পেশকার দেখেন।
কজ-লিস্ট তৈরি: কেবল তালিকা নয়, পুরো দিনের নকশা
এই ব্যাপারটা অনেকেই জানেন না যে আদালতের কজ-লিস্ট তৈরি করাটা বেশ জটিল একটি কাজ। মোট মামলার সংখ্যা, কোন মামলা কোন পর্যায়ে আছে, কোন আসামি জেলে, কোনটি নতুন – এসব বিচার করে পেশকারকে তালিকা সাজাতে হয়। একটি ছোট উদাহরণ দিই। ধরুন, একটি আদালতে দৈনিক ২০০টি মামলা উঠছে। এই ২০০ মামলার মধ্যে কোনটি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য বড় সময় নেবে, কোনটি মাত্র খারিজের জন্য উঠবে, সেটা আঁচ করে তালিকা তৈরি করা একজন দক্ষ পেশকার ছাড়া প্রায় অসম্ভব। কারণ সময় ব্যবস্থাপনার এই ব্যাপারটা পুরোপুরি পেশকারের হাতে। এই কাজটির সাথেই জড়িয়ে আছে জারীকারক পদের কাজ কী? – জারীকারক যখন সমন বা ওয়ারেন্ট জারির রিপোর্ট জমা দেন, পেশকার সেই রিপোর্ট দেখেই বুঝতে পারেন মামলাটি আগামী দিনের কজ-লিস্টে রাখা যাবে কি না।

নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণ: স্মৃতিভ্রষ্ট হলে চলে না
একটা মামলার ফাইল বলতে কয়েকশ পাতার হিসাব হতে পারে। সাক্ষীর জবানবন্দি, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট, রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট – একটা ফাইল যেন একটা ছোটখাটো মহাকাব্য। পেশকারকে প্রতিটি পাতার গুরুত্ব বুঝে সাজিয়ে রাখতে হয়। যদি বিচারক রায় লেখার সময় পুলিশের বিশেষ কোনো রিপোর্ট দেখতে চান আর পেশকার তাৎক্ষণিক বের করতে না পারেন, তাহলে বিচারকের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। এমনকি একাধিকবার এমন হয়েছে, কোনো পুরনো রায়ের কপি খুঁজতে গিয়ে পেশকার রেকর্ড রুম থেকে ফাইল না পেলে আদালতের পুরো টাইমলাইন এলোমেলো হয়ে গেছে।
আদালতের কার্যক্রম শেষে ফাইলগুলো রেকর্ড রুমে জমা দেওয়ার আগ পর্যন্ত পেশকারই সেগুলোর দায়িত্বে থাকেন। নথি নষ্ট বা ক্ষতি হলে সেটার জন্য প্রথম জবাবদিহি করতে হয় পেশকারকেই। সম্প্রতি ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নথিপত্র ডিজিটালাইজেশন জোরদার করায় এখন অনেক তথ্য ডিজিটাল কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়, কিন্তু তার পরেও মূল কাগজপত্রের মূল্য কমেনি। তাই পেশকারের সতর্কতা আগের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়।
প্রশাসনিক দায়িত্ব ও অন্যান্য সহযোগিতা
পেশকারকে শুধু মামলার কাজই দেখতে হয় না। আদালতের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজেও তার হাত থাকে। বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের রুটিন মিটিং-এর শিডিউল ঠিক করা, বিভিন্ন বিভাগ থেকে আসা চিঠিপত্রের জবাব প্রস্তুত করা, এবং প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল প্রতিবেদন তৈরি করাও পেশকারের কাজের অন্তর্ভুক্ত।
আদালতে দর্শনার্থী বা সাক্ষীদের ভিড় সামলানোর কাজটি যদিও নিরাপত্তা প্রহরী কাজ কি? সেই বিষয়ের আওতায় পড়ে, কিন্তু অনেক সময় বিচারকক্ষের সীমানার ভেতরে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার বিষয়টিও পেশকারকে হ্যান্ডেল করতে হয়। বিশেষ করে যখন বিচারক কোনো পক্ষকে ডেকে পাঠান, তখন পেশকারই বার্তাবাহকের কাজ করেন।
যে দক্ষতাগুলো একজন পেশকারকে আলাদা করে তোলে
একটু ভেবে দেখলে বোঝা যায়, সবার পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। যেকোনো সাধারণ প্রশাসনিক সহকারী পদের চেয়ে পেশকারের চাপ অনেক বেশি। একজন পেশকারের অবশ্যই যে গুণগুলো থাকা দরকার:
- মামলার পর্যায় ও আইনের মৌলিক পরিভাষা সম্পর্কে ধারণা।
- দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং দক্ষতা। তবে স্টেনোগ্রাফার এর কাজ কি? জানলে বোঝা যাবে এই দুই পেশার কাজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। স্টেনোগ্রাফার সংক্ষেপে বক্তব্য লিখে পরে তা টাইপ করেন, কিন্তু পেশকার সরাসরি আদেশের সারসংক্ষেপ নোট করে থাকেন।
- অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও ধৈর্য।
- চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।
- প্রযুক্তির সাথে আপডেটেড থাকা, যেমন কেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারা।
পেশকার বনাম অন্যান্য আদালত সহকারী: সম্পর্ক ও পার্থক্য
আদালতের কাঠামো বুঝতে হলে পেশকার, নাজির, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক, ও জারীকারকের দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্যটা পরিষ্কার হতে হবে। নিচের সারণিটি দেখুন, এতে ব্যাপারগুলো পরিষ্কার হবে।
| পদবী | মূল দায়িত্ব | প্রত্যক্ষ রিপোর্টিং |
|---|---|---|
| পেশকার | মামলার ফাইল ব্যবস্থাপনা, আদেশ সংরক্ষণ, কজ-লিস্ট তৈরি ও বিচারককে সরাসরি সহায়তা | বিচারক/ম্যাজিস্ট্রেট |
| সাঁটমুদ্রাক্ষরিক (স্টেনোগ্রাফার) | বক্তব্য সাঁটে লিখে পরবর্তীতে টাইপ করে রেকর্ড তৈরি করা | বিচারক ও প্রশাসন |
| নাজির | প্রশাসনিক শাখা, বাজেট ও অফিস সহায়ক তদারকি | প্রধান বিচারিক প্রশাসক |
| জারীকারক | সমন, ওয়ারেন্ট, নোটিশ বিলি ও তামিল | কোর্ট ইন্সপেক্টর/পেশকার |
উপরের সারণি থেকেই পরিষ্কার, পেশকারের ভূমিকা কতটা সংবেদনশীল। নাজির বা সাধারণ কেরানি যা করেন, পেশকার তার চেয়ে বেশি কৌশলী ও প্রযুক্তিগত কাজের সঙ্গে যুক্ত।
একজন পেশকারের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে
ঢাকার একটি মহানগর আদালতের এক পেশকারের সাথে কথা বলে জানা গেল, প্রতিদিন গড়ে একটি এজলাসে ১০০ থেকে ১৫০টি মামলা ওঠে। এসব মামলার মধ্যে নতুন, পুরনো, জামিন, রিমান্ড, অভিযোগ গঠন ইত্যাদি বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা থাকে। তিনি বলছিলেন, “আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, ফাইল নম্বর মনে রাখা নয়, বরং প্রতিটি মামলার সর্বশেষ অবস্থা নির্ভুলভাবে মনে রাখা। কারণ বিচারক যে কোনো সময় জানতে চাইতে পারেন – গত তারিখে কী হয়েছিল। কজ-লিস্ট হাতে থাকলেও মুখস্থ বলা লাগে।”
এই চাপের মধ্যেও পেশকারদের আত্মতুষ্টির জায়গা আছে। একটি বড় ফৌজদারি মামলায় পেশকারের সঠিক নথি উপস্থাপনের জন্যই এক অপরাধী দ্রুত দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল – এমন উদাহরণ আছে। আবার কোনো বাদীপক্ষেরা আদালতে এসে ভুল ফাইল দেওয়ার কারণে হয়রানির শিকার হন, কিন্তু একজন দক্ষ পেশকার তা হতে দেন না।
ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
২০২৬ সালে পেশকার হতে গেলে সাধারণত নিম্ন আদালতের জন্য বিচার বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ হয়। অনেকেই প্রশাসনিক সহকারী অথবা কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতে করতে এই ধাপে আসেন। মূলত সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী এটা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদ নয়, কিন্তু দায়িত্ব ও সম্মানের দিক থেকে অনেকটা সমতুল্য। যারা আদালতের পরিবেশ ভালোবাসেন ও চাপের মধ্যে কাজ করার মানসিকতা রাখেন, তাদের জন্য এটি চমৎকার পেশা। সময়ের সাথে দক্ষতা অর্জন করলে ভবিষ্যতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও প্রমোশন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
শেষ কথা
পেশকার এর কাজ কি – এটি শুধু একটি চাকরির বিবরণের চেয়ে বেশি কিছু। এটি আদালতের মেরুদণ্ড ধরে রাখার মতো একটি কাজ। আদালতের বাইরে থেকে দেখলে বোঝা মুশকিল যে একটি রায় লিখতে বা শুনানি সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে পেছনের সারির এই ব্যক্তিটির কতটা ঘাম ঝরে। যারা ভাবেন এটি শুধু ফাইল গোছানোর কাজ, তারা আসলে পুরো চিত্রটা দেখতে পান না। বিচারব্যবস্থাকে গতিশীল ও নির্ভুল রাখতে পেশকারদের অবদান ঠিক সেভাবেই স্বীকার করতে হবে যেভাবে আমরা বিচারকদের করি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পেশকার কি একজন আইনজীবী?
একেবারেই না। পেশকার কোনো আইনজীবী নন, তিনি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তবে তার আইনের মৌলিক পরিভাষা ও আদালতের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি, যাতে তিনি বিচারককে সঠিকভাবে সহযোগিতা করতে পারেন।
পেশকার এবং নাজিরের মধ্যে পার্থক্য কী?
পেশকার বিচারকের সরাসরি সহকারী; মূল কাজ নথিপত্র ও মামলা ব্যবস্থাপনা। নাজির হলেন প্রশাসনিক শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত, যাকে বাজেট, অফিস স্টাফ ও ক্রয়-সংক্রান্ত কাজ দেখতে হয়।
পেশকার হতে কী কী যোগ্যতা প্রয়োজন?
সাধারণত স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি, কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা (বিশেষ করে টাইপিং), এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মৌখিক ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া লাগে। অনেক সময় নিম্ন আদালতে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
পেশকারের বেতন কেমন?
বাংলাদেশ সরকারি বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী পেশকার সাধারণত দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার সমমর্যাদায় বেতন পান। ২০২৬ সালে একটি নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়িত হলে এতে পরিবর্তন এসেছে, তবে মূল কাঠামো একই রয়েছে।
পেশকার এবং স্টেনোগ্রাফারের কাজ কি একই রকম?
না, দুই পেশার মৌলিক কাজ আলাদা। স্টেনোগ্রাফার সংক্ষেপে বক্তব্য লিখে সেটা টাইপ করে রেকর্ড তৈরি করেন। পেশকার সরাসরি আদেশ বা রায়ের সারসংক্ষেপ নথিভুক্ত করেন ও মামলার ফিজিক্যাল ফাইল মেইনটেইন করেন।
পেশকার যদি ফাইল হারিয়ে ফেলেন তাহলে কী হয়?
ফাইল হারানো অত্যন্ত সিরিয়াস অপরাধ। এতে মামলার পুরো কার্যক্রম থমকে যেতে পারে। পেশকারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হতে পারে, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে চাকরিচ্যুতিও হতে পারেন। তাই ফাইল সংরক্ষণে পেশকার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেন।
তথ্যসূত্র
- বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন গাইডলাইন (সংশোধিত ২০২৫)
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনিক নির্দেশিকা: অধস্তন আদালতের স্টাফ রেগুলেশন
- ‘রোলস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজ অব কোর্ট স্টাফ’, জুডিসিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রকাশনা (২০২৬)